"বসন্তে বর্ষণ"
"বসন্তে বর্ষণ"
আজকের সারাদিনে আকাশে ছিলনা মেঘ-
সন্ধ্যায় টিপটিপ বৃষ্টি,
আনকোরা প্রকৃতিটা হঠাৎ বদলে গেল
একে বলে কোন্ অনাসৃষ্টি!
লোডশেডিংয়ের মাঝে বসে আছি আনমনে
নিশ্চুপ জানালায় একা,
বাঁশবনে থেমে গেছে শেয়ালের কোলাহল-
সবকিছু বড় বেশি ফাঁকা।
গরম চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছি সবে-
ধেয়ে এলো বাতাসের ঢেউ,
মায়াবী আঁধারী রাতে বিষাদের এই ক্ষণে
আমি ছাড়া নেই আর কেউ।
জানালা বন্ধ করে মোমবাতি জ্বেলে দিয়ে
কলম নিয়েছি তুলে হাতে,
মনের আবেগ দিয়ে লিখব কবিতা আজ-
নিরালায় প্রকৃতির সাথে।
ঘনমেঘ গর্জনে হঠাৎ বর্ষা নামে-
ডেকে চলে ব্যাঙেদের দল,
শুকনো মাটির বুকে অনাবিল শিহরণে
ছুঁয়ে যায় নবধারা জল।
এইভাবে যায় যদি, কেটে যাক চিরকাল
এই আছি যাকে বলে- বেশ।
এখন নীরব রাত, চারিদিক নিশ্চুপ-
বৃষ্টিটা হল বুঝি শেষ!
-কৃষ্ণেন্দু দাস, চৈত্র-১৪২৩ বঙ্গাব্দ।
আজকের সারাদিনে আকাশে ছিলনা মেঘ-
সন্ধ্যায় টিপটিপ বৃষ্টি,
আনকোরা প্রকৃতিটা হঠাৎ বদলে গেল
একে বলে কোন্ অনাসৃষ্টি!
লোডশেডিংয়ের মাঝে বসে আছি আনমনে
নিশ্চুপ জানালায় একা,
বাঁশবনে থেমে গেছে শেয়ালের কোলাহল-
সবকিছু বড় বেশি ফাঁকা।
গরম চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছি সবে-
ধেয়ে এলো বাতাসের ঢেউ,
মায়াবী আঁধারী রাতে বিষাদের এই ক্ষণে
আমি ছাড়া নেই আর কেউ।
জানালা বন্ধ করে মোমবাতি জ্বেলে দিয়ে
কলম নিয়েছি তুলে হাতে,
মনের আবেগ দিয়ে লিখব কবিতা আজ-
নিরালায় প্রকৃতির সাথে।
ঘনমেঘ গর্জনে হঠাৎ বর্ষা নামে-
ডেকে চলে ব্যাঙেদের দল,
শুকনো মাটির বুকে অনাবিল শিহরণে
ছুঁয়ে যায় নবধারা জল।
এইভাবে যায় যদি, কেটে যাক চিরকাল
এই আছি যাকে বলে- বেশ।
এখন নীরব রাত, চারিদিক নিশ্চুপ-
বৃষ্টিটা হল বুঝি শেষ!
-কৃষ্ণেন্দু দাস, চৈত্র-১৪২৩ বঙ্গাব্দ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন