দ্বিরুক্তি
“দ্বিরুক্তি”
অনাড়ম্বর এই স্বত্ত্বার মাঝে আজ ঘোর বিষন্নতার মেঘ হয়ে-
কতিপয় দুঃখের আবির্ভাব, অথচ সুখ সংকল্পে তন্ময় হয়ে খানিকটা
সময় আগেই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছি সপ্তমীর বাঁকা চাঁদের নির্ম্মলতা।
ফোনটা এল তারও কিছুটা পরে, ট্রাঙ্ককল ভেবে ছুটে এসে দেখি-
স্রোতের তোড়ে ফুলে ওঠা লোনা জলের শুভ্র ফেনার মত
আমার উষ্ণ রক্তেরা ধেয়ে চলে সমগ্র ধমনীময়, চোখে এক মদির মাদকতা,
এতদিন পরে আবার সেই তুমি……….
সেই তুমি, যার জন্যে ক্লাস ফাঁকির পর ধরা খেয়ে অতঃপর-
অরুন স্যারের সামনে কান ধরে দাঁড়িয়ে থেকেছি সারাটা ক্লাস,
সেই তুমি, যাকে এক পলক দেখব বলে ডাকঘর মোড়ে
চা-দোকানের আঁটোসাটো ঘরে সারাটা বিকেল কাটিয়ে দিয়েছি।
তারপর এক গোধূলী বেলায় অস্তাচলের ক্লান্ত আলোয় তোমায় হারানো,
ফিরে পাব বলে তেরটি বছর একটি একটি দিন গুনে চলা-
অতঃপর সব ভুলেটুলে গিয়ে নিজেকে একটু সাঁজিয়ে নিতে
অবশেষে আজ কাব্যপ্রেমের অটুট বাঁধনে যখন নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছি-
তখন হঠাৎ ফোন, কাছে গিয়ে দেখি তুমি। প্লাস এক দেখে বুঝলাম আমি
তোমার ওখানে দিন, ঝাঁঝালো আলোর তপ্ত দুপুরে কাঁচ দিয়ে ঘেরা
সুইমিং পুলে সাঁতরে সাঁতরে ক্লান্ত হয়ে কি মনে করে হঠাৎ করলে ফোন।
আমার ঘরের নীরব আঁধারেরা সংকুচিত আর প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে
ঢেউ তুলে দিল আমার মগজে, তুলবনা আমি ফোন।
অনেক সময় বাজতে বাজতে অতিষ্ট হয়ে অবশেষে এক মাহেন্দ্রক্ষণে
থেমে গেল সেই অশুভ ফোনের কল। এরপরে-
সপ্তমীর চাঁদ এসে উকি দিয়ে গেল আমার জানালায়,
আমি মুগ্ধ- সত্যিই কত অপূর্ব আর মায়াময় আজকের এই চাঁদ।
-কৃষ্ণেন্দু দাস, আশ্বিণ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ।
অনাড়ম্বর এই স্বত্ত্বার মাঝে আজ ঘোর বিষন্নতার মেঘ হয়ে-
কতিপয় দুঃখের আবির্ভাব, অথচ সুখ সংকল্পে তন্ময় হয়ে খানিকটা
সময় আগেই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছি সপ্তমীর বাঁকা চাঁদের নির্ম্মলতা।
ফোনটা এল তারও কিছুটা পরে, ট্রাঙ্ককল ভেবে ছুটে এসে দেখি-
স্রোতের তোড়ে ফুলে ওঠা লোনা জলের শুভ্র ফেনার মত
আমার উষ্ণ রক্তেরা ধেয়ে চলে সমগ্র ধমনীময়, চোখে এক মদির মাদকতা,
এতদিন পরে আবার সেই তুমি……….
সেই তুমি, যার জন্যে ক্লাস ফাঁকির পর ধরা খেয়ে অতঃপর-
অরুন স্যারের সামনে কান ধরে দাঁড়িয়ে থেকেছি সারাটা ক্লাস,
সেই তুমি, যাকে এক পলক দেখব বলে ডাকঘর মোড়ে
চা-দোকানের আঁটোসাটো ঘরে সারাটা বিকেল কাটিয়ে দিয়েছি।
তারপর এক গোধূলী বেলায় অস্তাচলের ক্লান্ত আলোয় তোমায় হারানো,
ফিরে পাব বলে তেরটি বছর একটি একটি দিন গুনে চলা-
অতঃপর সব ভুলেটুলে গিয়ে নিজেকে একটু সাঁজিয়ে নিতে
অবশেষে আজ কাব্যপ্রেমের অটুট বাঁধনে যখন নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছি-
তখন হঠাৎ ফোন, কাছে গিয়ে দেখি তুমি। প্লাস এক দেখে বুঝলাম আমি
তোমার ওখানে দিন, ঝাঁঝালো আলোর তপ্ত দুপুরে কাঁচ দিয়ে ঘেরা
সুইমিং পুলে সাঁতরে সাঁতরে ক্লান্ত হয়ে কি মনে করে হঠাৎ করলে ফোন।
আমার ঘরের নীরব আঁধারেরা সংকুচিত আর প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে
ঢেউ তুলে দিল আমার মগজে, তুলবনা আমি ফোন।
অনেক সময় বাজতে বাজতে অতিষ্ট হয়ে অবশেষে এক মাহেন্দ্রক্ষণে
থেমে গেল সেই অশুভ ফোনের কল। এরপরে-
সপ্তমীর চাঁদ এসে উকি দিয়ে গেল আমার জানালায়,
আমি মুগ্ধ- সত্যিই কত অপূর্ব আর মায়াময় আজকের এই চাঁদ।
-কৃষ্ণেন্দু দাস, আশ্বিণ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন