"তোমাকে"
"তোমাকে"
তখন বয়স আমার একুশ, দু’চোখের দৃশ্যপট জুড়ে যখন-
নানা বর্নের আলো আর রঙের খেলা শুরু হয়েছিল,
তখন তোমাকে দেখেছি, দেখেই যে খুব ব্যাকুল হয়েছিলাম
ঠিক তা নয়, তবে আমার চেতনার অলক্ষ্যে কিছু একটা হয়েছিল।
আমি যখন পরিপূর্ণ ভাবে নিজেকে বুঝে ফেলেছি-
তখন তুমি দূরে, আমার দৃষ্টিসীমা পার করে কয়েক হাজার মাইল পেরিয়ে-
বৈাচত্রময় কোন শহরে, অথচ আমি তো কখনোই তোমাকে দেশান্তরী হতে বলিনি,
আমার চাহিদা, আকাংখা, স্বপ্ন এর সবকিছুইতো ভীষণ সাদামাটা।
কখনও চাইনি খুব বেশি কিছু হতে, সীমিত স্বপ্নকে পুঁজি করে শুধুমাত্র
সাধারণ কেউ হতে গিয়েই তোমাকে পড়ল মনে।
আর মনেপড়া থেকে শুরু করে ভাবনার গভীর অব্দি পৌছাবার
রসদ জুগিয়েছ তুমিই, অথচ দ্যাখো, সেই তুমিই কিন্তু নেই।
আমি আজও জানিনা তুমি কোথায় আছ…………… হঠাৎ হঠাৎ ইদানীং
মাঝ রাতে প্রায়ই ঘুম ভেঙ্গে যায়, পাশ ফিরে কাকে যেন খুঁজি,
খুব শূন্যতার অনুভূতি হয় তখন, কেমন জানি বুকের ভেতরটা হাহাকার করে।
জীবনের পথ চলতে চলতে তো অর্থহীন ভাবেই কাটিয়ে দিলাম একটা দীর্ঘ সময়
আর তো সামান্য কিছুদিন, সামান্য চাহিদা আর যাবতীয় খুটিনাটি,
তবে সবকিছুর শেষে একটি বার কি দেখতে পাব তোমাকে,
এই জীবনে আমার হেলায় কাটানো অলস সময়,
আমার রাতের পর রাত আকাশের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকা, কিংবা
চায়ের টেবিলে মুখে হাত রেখে দার্শনিক হবার হাস্যকর প্রচেষ্টা……..
এই সব কিছুই তো তোমার, আমার যা কিছু অর্জন তার সবটুকু নিয়েই
তো আমি বসে আছি, আমি তিল তিল করে পরিপাটি করেছি নিজেকে-
কিন্তু তারপরেও তুমি নেই। তুমি দূরে-বহুদূরে…….অন্য কোথাও
সবকিছুর শেষে হতাশ হয়েও আমি ভাবি- হয়তো একদিন আসবে তুমি।
হয়তো দ্বিধায় পড়ে খুব বেশি কিছু বলতে পারবনা,
তবুও আমি তাকিয়ে তাকিয়ে অবনত চোখে চেয়ে দেখব তোমাকে।
-কৃষ্ণেন্দু দাস / নভেম্বর -১৬।
তখন বয়স আমার একুশ, দু’চোখের দৃশ্যপট জুড়ে যখন-
নানা বর্নের আলো আর রঙের খেলা শুরু হয়েছিল,
তখন তোমাকে দেখেছি, দেখেই যে খুব ব্যাকুল হয়েছিলাম
ঠিক তা নয়, তবে আমার চেতনার অলক্ষ্যে কিছু একটা হয়েছিল।
আমি যখন পরিপূর্ণ ভাবে নিজেকে বুঝে ফেলেছি-
তখন তুমি দূরে, আমার দৃষ্টিসীমা পার করে কয়েক হাজার মাইল পেরিয়ে-
বৈাচত্রময় কোন শহরে, অথচ আমি তো কখনোই তোমাকে দেশান্তরী হতে বলিনি,
আমার চাহিদা, আকাংখা, স্বপ্ন এর সবকিছুইতো ভীষণ সাদামাটা।
কখনও চাইনি খুব বেশি কিছু হতে, সীমিত স্বপ্নকে পুঁজি করে শুধুমাত্র
সাধারণ কেউ হতে গিয়েই তোমাকে পড়ল মনে।
আর মনেপড়া থেকে শুরু করে ভাবনার গভীর অব্দি পৌছাবার
রসদ জুগিয়েছ তুমিই, অথচ দ্যাখো, সেই তুমিই কিন্তু নেই।
আমি আজও জানিনা তুমি কোথায় আছ…………… হঠাৎ হঠাৎ ইদানীং
মাঝ রাতে প্রায়ই ঘুম ভেঙ্গে যায়, পাশ ফিরে কাকে যেন খুঁজি,
খুব শূন্যতার অনুভূতি হয় তখন, কেমন জানি বুকের ভেতরটা হাহাকার করে।
জীবনের পথ চলতে চলতে তো অর্থহীন ভাবেই কাটিয়ে দিলাম একটা দীর্ঘ সময়
আর তো সামান্য কিছুদিন, সামান্য চাহিদা আর যাবতীয় খুটিনাটি,
তবে সবকিছুর শেষে একটি বার কি দেখতে পাব তোমাকে,
এই জীবনে আমার হেলায় কাটানো অলস সময়,
আমার রাতের পর রাত আকাশের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকা, কিংবা
চায়ের টেবিলে মুখে হাত রেখে দার্শনিক হবার হাস্যকর প্রচেষ্টা……..
এই সব কিছুই তো তোমার, আমার যা কিছু অর্জন তার সবটুকু নিয়েই
তো আমি বসে আছি, আমি তিল তিল করে পরিপাটি করেছি নিজেকে-
কিন্তু তারপরেও তুমি নেই। তুমি দূরে-বহুদূরে…….অন্য কোথাও
সবকিছুর শেষে হতাশ হয়েও আমি ভাবি- হয়তো একদিন আসবে তুমি।
হয়তো দ্বিধায় পড়ে খুব বেশি কিছু বলতে পারবনা,
তবুও আমি তাকিয়ে তাকিয়ে অবনত চোখে চেয়ে দেখব তোমাকে।
-কৃষ্ণেন্দু দাস / নভেম্বর -১৬।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন