"জীবনের প্রাজ্ঞ দর্শন"
“জীবনের প্রাজ্ঞ দর্শন”
রাত্রির আঁধার তখন ঘনীভূত হয়ে সমগ্র চরাচর ঢেকে দেবার বাসনায় মত্ত-
আমি গায়ে আকাশ-পাতাল জ্বর নিয়ে বটতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে,
যাহ্ঃ চশমাটা বোধহয় ফেলে এসেছি ঘরে।
চোখ দুটো বড় বেশি রকমের প্রতারণা করছে ইদানীং,
মাঝে মধ্যে তো রীতিমতো ঝাঁপসা করে দেয় আমার চারিপাশ।
খানিকটা আশাহতের মত আমি চোখ তুলে তাকাই-
আকাশে তখন নক্ষত্রের হাঁট বসে গেছে,
সহস্র-কোটি আলোকবর্ষ পেরিয়ে কেউ কেউ তখনও এসে পারেনি।
সেই তারা জ্বলা রাতে আমি হাঁটছি, এক অজানা গন্তব্যকে সামনে রেখে।
আমার পা টলছে, পায়ের তলায় ভেজা ঘাস আমাকে আচ্ছন্ন করছে বিমূর্ত শিহরণে…
মেডিকেলের বুড়ো প্রফেসর মাস সাতেক আগে বলেছিল, ‘সময় প্রায় শেষ’...
সময় ফুরোবার সেই ক্ষণের জন্যেই এই নির্বিকার বেঁচে থাকা।
হয়তো আজই সেই অন্তিম ক্ষণ জড়িয়ে নেবে আমায়!
ক্ষিদেটা আজ বড্ড অস্থির করছে আমার রুগ্ন শরীরকে,
আহাঃ পেট ভরে খাইনি প্রায় গত বেশ সপ্তাহ কয়েক…..
আমি হো হো করে হেসে উঠি,
হাসির শব্দে ত্রস্ত হয় তিনটে রাতজাগা পাখি-
আমি চলছি ক্লান্তিতে আচ্ছন্ন শরীর নিয়ে কাঙ্খিত মৃত্যুকে দেখার জন্যে,
অথচ- এই মুহূর্তে আমার ইচ্ছে করছে---
মটরসুটি শাক আর শুকনো মরিচ দিয়ে পেট ভরে ভাত খেতে।
হয়তো এটাই জীবনের কোন অদেখা রহস্যময়তা, এর জন্যে-
সম্ভবত এর জন্যেই বেঁচে থাকার প্রেরণা পায় মানুষ,
কিংবা কে জানে- হয়তো এজন্যেই বেঁচে থাকে দীর্ঘ জীবন…..
-কৃষ্ণেন্দু দাস (২রা কার্ত্তিক, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ)
রাত্রির আঁধার তখন ঘনীভূত হয়ে সমগ্র চরাচর ঢেকে দেবার বাসনায় মত্ত-
আমি গায়ে আকাশ-পাতাল জ্বর নিয়ে বটতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে,
যাহ্ঃ চশমাটা বোধহয় ফেলে এসেছি ঘরে।
চোখ দুটো বড় বেশি রকমের প্রতারণা করছে ইদানীং,
মাঝে মধ্যে তো রীতিমতো ঝাঁপসা করে দেয় আমার চারিপাশ।
খানিকটা আশাহতের মত আমি চোখ তুলে তাকাই-
আকাশে তখন নক্ষত্রের হাঁট বসে গেছে,
সহস্র-কোটি আলোকবর্ষ পেরিয়ে কেউ কেউ তখনও এসে পারেনি।
সেই তারা জ্বলা রাতে আমি হাঁটছি, এক অজানা গন্তব্যকে সামনে রেখে।
আমার পা টলছে, পায়ের তলায় ভেজা ঘাস আমাকে আচ্ছন্ন করছে বিমূর্ত শিহরণে…
মেডিকেলের বুড়ো প্রফেসর মাস সাতেক আগে বলেছিল, ‘সময় প্রায় শেষ’...
সময় ফুরোবার সেই ক্ষণের জন্যেই এই নির্বিকার বেঁচে থাকা।
হয়তো আজই সেই অন্তিম ক্ষণ জড়িয়ে নেবে আমায়!
ক্ষিদেটা আজ বড্ড অস্থির করছে আমার রুগ্ন শরীরকে,
আহাঃ পেট ভরে খাইনি প্রায় গত বেশ সপ্তাহ কয়েক…..
আমি হো হো করে হেসে উঠি,
হাসির শব্দে ত্রস্ত হয় তিনটে রাতজাগা পাখি-
আমি চলছি ক্লান্তিতে আচ্ছন্ন শরীর নিয়ে কাঙ্খিত মৃত্যুকে দেখার জন্যে,
অথচ- এই মুহূর্তে আমার ইচ্ছে করছে---
মটরসুটি শাক আর শুকনো মরিচ দিয়ে পেট ভরে ভাত খেতে।
হয়তো এটাই জীবনের কোন অদেখা রহস্যময়তা, এর জন্যে-
সম্ভবত এর জন্যেই বেঁচে থাকার প্রেরণা পায় মানুষ,
কিংবা কে জানে- হয়তো এজন্যেই বেঁচে থাকে দীর্ঘ জীবন…..
-কৃষ্ণেন্দু দাস (২রা কার্ত্তিক, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন