এগারো বছর পরে
"এগারো বছর পরে"
এগারো বছর পরের আর একটি বৃষ্টিস্নাত অনাকাঙ্খিত রাত,
অস্তিত্বের মাঝে নেই উষ্ণ রক্তের গভীর উন্মাদনা.. নেই সেই নবধারা জলে ভিজে আকুন্ঠ বর্ষা যাপনের বাসনা।। অথচ কী অদ্ভূত ছিল সেই ফেলে আসা এগারো বছর আগের সময়!! রাত্রি দশটা অব্দি বটতলার মোড়, হাসপাতাল রোড অথবা মিন্টুদের গলির চৌহদ্দি.. চায়ের দোকানের সেই লাগাতার জ্বলে থাকা স্টোভের শোঁ শোঁ শব্দের সাথে মিশে যেত বৃষ্টির ঝাঁপটা।। এরপর আঁধারের বশ্যতা মেনে, কাকভেজা হয়ে চুপিসারে তোমাদের সিঁড়ির তলায় আমার সদ্য লেখা নতুন কবিতা জমা রেখে যাওয়া।
ভুলিনি কিছুই আজও, ভুলতে ভুলতে ভুলে ভরা জীবনে আজও ভুলে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।।
কিন্তু এই বৃষ্টি, এই বৃষ্টি তো পারেনি একটুও পরিবর্তিত হতে!!
তাই তো সে আজও ঝরে যায় সেই এগারো বছর আগের খিপ্রতায়, আজও সে সমান ভাবে ভেজাতে চায় আমার বয়ষ্ক মনটাকে।।
হয়তো এগারো বছর পরেও আসবে এমনি কোন রাত্রি- স্টেশনের চায়ের দোকান ছেড়ে উঠে পড়বে কেউ, কবিতার খাতাটি সামলে নিয়ে সর্বাঙ্গে ভিজে গিয়ে দাঁড়াবে কোন এক বাড়ির সিঁড়ির তলায়,
ভেতরের দুটি পৃষ্ঠা আলাদা রেখে আবারও সে বেরিয়ে পড়বে নিভৃতে অজানায়; আঁধারের বশ্যতাকে মেনে নিয়ে।।
-কৃষ্ণেন্দু দাস, (১৫ই জুন, ২০১৭ খ্রিঃ)
এগারো বছর পরের আর একটি বৃষ্টিস্নাত অনাকাঙ্খিত রাত,
অস্তিত্বের মাঝে নেই উষ্ণ রক্তের গভীর উন্মাদনা.. নেই সেই নবধারা জলে ভিজে আকুন্ঠ বর্ষা যাপনের বাসনা।। অথচ কী অদ্ভূত ছিল সেই ফেলে আসা এগারো বছর আগের সময়!! রাত্রি দশটা অব্দি বটতলার মোড়, হাসপাতাল রোড অথবা মিন্টুদের গলির চৌহদ্দি.. চায়ের দোকানের সেই লাগাতার জ্বলে থাকা স্টোভের শোঁ শোঁ শব্দের সাথে মিশে যেত বৃষ্টির ঝাঁপটা।। এরপর আঁধারের বশ্যতা মেনে, কাকভেজা হয়ে চুপিসারে তোমাদের সিঁড়ির তলায় আমার সদ্য লেখা নতুন কবিতা জমা রেখে যাওয়া।
ভুলিনি কিছুই আজও, ভুলতে ভুলতে ভুলে ভরা জীবনে আজও ভুলে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।।
কিন্তু এই বৃষ্টি, এই বৃষ্টি তো পারেনি একটুও পরিবর্তিত হতে!!
তাই তো সে আজও ঝরে যায় সেই এগারো বছর আগের খিপ্রতায়, আজও সে সমান ভাবে ভেজাতে চায় আমার বয়ষ্ক মনটাকে।।
হয়তো এগারো বছর পরেও আসবে এমনি কোন রাত্রি- স্টেশনের চায়ের দোকান ছেড়ে উঠে পড়বে কেউ, কবিতার খাতাটি সামলে নিয়ে সর্বাঙ্গে ভিজে গিয়ে দাঁড়াবে কোন এক বাড়ির সিঁড়ির তলায়,
ভেতরের দুটি পৃষ্ঠা আলাদা রেখে আবারও সে বেরিয়ে পড়বে নিভৃতে অজানায়; আঁধারের বশ্যতাকে মেনে নিয়ে।।
-কৃষ্ণেন্দু দাস, (১৫ই জুন, ২০১৭ খ্রিঃ)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন